সরেজমিনে দেখা যায়, ম্রো, মারমা, লুসাই, বম, খেয়াং, চাকমা, সাঁওতাল ও মনিপুরীসহ বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর মানুষ নিজস্ব ঐতিহ্যবাহী পোশাক ও উপকরণ নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নেন। তাদের হাতে ছিল জাতিস্বত্বার প্রতীকী নানা সামগ্রী।
একইসঙ্গে শোভাযাত্রাজুড়ে ছিল মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি। সকাল থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। চারদিকে ছিল হৈ-হুল্লোড়, আনন্দ আর উচ্ছ্বাস। বাঁশির সুর, ঢোল-বাদ্য আর বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে এগিয়ে চলে শোভাযাত্রা। তাছাড়া এবারের অন্যতম আকর্ষণ ছিল লাঠিখেলার আয়োজন।
এর আগে, সকাল ৯টায় ঢোল-বাদ্যের তালে আর রঙিন মোটিফের বর্ণিল আয়োজনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হয়েছে বাংলা নববর্ষের বহুল প্রতীক্ষিত বৈশাখী শোভাযাত্রা।