সেনা মোতায়েনের মধ্যে রয়েছে ব্রিগেড কমব্যাট টিম, লজিস্টিকস ও সহায়তা ইউনিট। তারা ইতোমধ্যেই হাজার হাজার নৌসেনা, মেরিন ও স্পেশাল অপারেশন বাহিনীর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র এখনও সরাসরি ইরানের ভূখণ্ডে সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি। সূত্র জানিয়েছে, এই মোতায়েন ভবিষ্যতে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে।
বিশ্লেষকদের ধারণা, এই সেনারা খার্গ আইল্যান্ড দখল, হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ এবং অন্যান্য কৌশলগত অভিযানে ব্যবহার করা হতে পারে। একই সময়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, সামরিক অভিযানের মূল লক্ষ্য অর্জনের কাজ কয়েক সপ্তাহের মধ্যে শেষ হবে, এরপর হরমুজ প্রণালির ভবিষ্যৎ এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে প্রভাব স্পষ্ট হবে।